Description
100% Original Honey
#সুন্দর_বনের_১০০% খাঁটি মধু
★আপনি কি সুন্দরবনের খাঁটি মধুর খোঁজ করছেন?
★আমরা আপনাদের ১০০% সুন্দরবনের খাঁটি মধু দিবো।
★বিশ্বস্ত মৌয়ালদের মাধ্যমে আমরা মধু সংগ্রহ করে থাকি ৷
★ মধুতে ভেজাল প্রমাণ করতে পারলে টাকা ফেরত পাবেন ৷
★ আপনারা সুন্দরবনের বিভিন্ন ফুলের মধু ১০০% আস্থা সহকারে ক্রয় করতে পারেন ৷
★ ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারী এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে সারাদেশে মধু সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
★অর্ডার করতে আপনার পূর্ণ ঠিকানা, পরিমাণ,নাম ও মোবাইল নাম্বার ইনবক্স/কমেন্ট করুন ৷
★ঢাকার বাইরে মিনিমাম ১ কেজি অর্ডার করতে হবে।
★অর্ডারের 48 ঘন্টার মধ্যে ডেলিভারি সুনিশ্চিত করা হয় ৷
♣খাঁটি মধু চেনার উপায়♣
*********************
খাঁটি মধু কিংবা ভেজাল মধু চেনার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো গবেষণাগারে পরীক্ষা এর বাইরে শুধু বিশ্বাস এবং ব্যবসায়ীক নীতি নৈতিকতা ঠিক রাখা এবং মধু চেনে এমন মানুষই বলতে পারবে কোন মধু খাঁটি মধু এবং কোনটা ভেজাল মধু। তাহলে তার কথায় আস্থা রাখা যায়। এর বাইরে সাধারণ মধু ক্রেতাদের আর কোনো উপায় নাই খাঁটি বা ভেজাল মধু চিনে বের করার।
♣প্রচলিত কিছু ভুল পরীক্ষাঃ
আগুন পরীক্ষা
পানি পরীক্ষা
পিঁপড়া পরীক্ষা
ফ্রিজিং পরীক্ষা
চুন পরীক্ষা ইত্যাদি
♣খাঁটি মধু বলতে আমরা কি বুঝি?
খাঁটি মধুর নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, যেগুলো জানা থাকা জরুরি। যেমনঃ
★ মধুর উপরের স্তরে হালকা ফেনা হওয়া,
★ গ্যাস হওয়া,
★ গাদ জমা,
★ তলানীতে চিনিরমত পদার্থ জমা (যা মুলত সুক্রোজ ও গ্লুকোজ),
★ মধু পাতলাও হতে পারে, যেমন বরই ফুলের মধুতে ময়েশ্চারের পরিমাণ বেশি থাকে এজন্য পাতলা হয় এবং প্রচুর গ্যাস হয়।
আমাদের মধু উপরোক্ত সকল বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন।
জনগণের সুন্দরবনের খাঁটি মধুর প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে আমরা বাজারে নিয়ে এসেছি ★আস্থা মধু★
আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি আমাদের মধু আপনার আস্থা ফিরিয়ে আনবেই।
♣♣খাঁটি মধু চেনার উপায় নিয়ে প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিগুলো সঠিক নয় কেন ?
★বেশিরভাগ মানুষের ধারণা খাঁটি মধু কখনোই জমাট বাধে না। কিন্তু ধারণা সঠিক নয়। মধুর প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে আছে সুক্রোজ এবং গ্লুকোজ। গ্লুকোজ সুযোগ পেলে জমাট বাধবেই।
একে বলে ক্রিসটালাইজেশন। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন ফুলের মধু জমাট বাধতে দেরী হতে পারে।
যেমন -আসল সুন্দরবনের মধুতে পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় এটা জমাট বাধে না। কিন্তু যে মধুতে পানির পরিমান কম থাকে, তা সময়ের সাথে সাথে ক্রিস্টালাইজড হতে শুরু করে। বিভিন্ন ফুলের মধুর গ্রেড কম বেশির কারণে বা ময়েশ্চারের কম বেশির কারণে জমাট বাধতে সময় নেয়।
♣ভেজালমুক্ত প্রাকৃতিক মধু চেনার উপায়♣
প্রাকৃতিকগত ভাবেই কিছু কিছু মধু পাতলা হয়।যেমনঃ- সুন্দরবনের ফুলের মধু, বরই ফুলের মধু প্রাকৃতিকগত ভাবেই পাতলা হয়।
খাঁটি মধুতে পিপড়া ধরেনাঃ মিষ্টি বস্তুতে পিপড়া ধরবেনা এটাতো কল্পনা করা যায় না, পিপড়া ওই সকল জায়গায় বেশি আকৃষ্ট যেখানে সুক্রোজ ও গ্লুকোজ থাকে। মধুর প্রধান দুইটা উপাদান হল সুক্রোজ ও গ্লুকোজ।
♣♣♣সুন্দরবনের মধু♣♣♣
বাংলাদেশের মধুর প্রধানতম উৎসস্থল পৃথিবী বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন।
আনুমানিক ১৮৬০ সালের দিক থেকে সুন্দরবনের মধু সংগ্রহ শুরু হয়।
বনসংলগ্ন কিছু জনগোষ্ঠী মূলত জীবিকার তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বংশপরম্পরায় মধু সংগ্রহ করে আসছে।
এদেরকে আঞ্চলিকভাবে মৌয়াল বলা হয়ে থাকে।দেশে উৎপাদিত মোট মধুর শতকরা ২৫%-৩০% এর প্রাপ্তিস্থান সুন্দরবন।
সুন্দরবনের সুন্দরী,গেওয়া,গরান,খলিশা,কেওড়া,ওড়া,বাইনসহ আরও অনেক নাম না জানা বিভিন্ন প্রজাতির ফুল থেকে মৌমাছি পুষ্পরস সংগ্রহ করে প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌচাক গঠন করে থাকে।
মধু উচ্চ ঔষধীগুণ সম্পন্ন ভেষজ তরল জাতীয় পদার্থ। সুন্দরবনের মধু স্বাদ,রং,সুগন্ধ এবং ঔষধী গুণাবলীর জন্য পৃথিবী বিখ্যাত।
♣মধুর উপাদান♣
মধুর অন্যতম গুণ হলো এটি কখনও নষ্ট হয় না।
সাধারনত যেসব পুষ্টি উপাদান মধুতে থাকে-
২৫-৩৭% গ্লুকোজ,
৩৪-৪৩% ফ্রুক্টোজ,
৫-১২% মন্টোজ,০.৫-০.৩% সুক্রোজ।
শুধু তাই নয় মধুতে আরও আছে ২৮% খনিজ লবণ,
২২%এমাইনো এসিড এবং ১১% এনকাইম।মধুতে কোন চর্বি এবং প্রোটিন নাই।
প্রতি ১০০ গ্রাম মধুতে ২৮৮ গ্রাম ক্যালরী বিদ্যমান।
♣♣মধুর উপকারিতা♣♣
★মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্যকারী।
★মধু অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে।
★মধু মেধা এবং বুদ্ধির বিকাশে সহায়তাকারী।
★হৃৎপিন্ডসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হ্রাস করতে মধু টনিকের মত কাজ করে থাকে।
★মধু বাতব্যথাসহ শরীরের অবাঞ্চিত ব্যথা নিরাময়ে কাজ করে।
★মধু হজম সমস্যার সমাধানের অব্যর্থ ঔষধ।
★মধু শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য প্রদান করে।
★মধু শরীরের দুষিত রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে থাকে।
★মধু যৌন দুর্বলতার অন্যতম প্রধান টনিক।
★নিয়মিত মধু আয়ু বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
★মধু গ্যাসের সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি প্রদান করে।
★মধু হাঁপানি বা অ্যাজমার সমস্যা রোধে কাজ করে।
★মধু অনিদ্রার কার্যকরী ঔষধ।
★মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
★মধু পাকস্থলীর সুস্থতা প্রদান করে থাকে।
এগুলো ছাড়াও আজকাল রূপচর্চায় মধুর ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে।
মধু প্রাকৃতিকভাবে তৈরি স্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।
একমাত্র মধুতেই ৪৫ টি খাদ্য উপাদান বিদ্যমান।
কিন্তু প্রকৃতি প্রদত্ত এই সর্বগুণে সমৃদ্ধ বস্তু কি আমরা নির্ভেজাল অবস্থায় খেতে পারি????
বেশির ভাগের মতামতই আসবে ★না★
কারণ প্রকৃতি প্রদত্ত এই অমূল্য সম্পদকে কিছু অসাধু চক্র দুষিত করে তুলছে প্রতিনিয়ত।
এখন প্রশ্ন একটাই খাঁটি মধু কি পৃথিবী থেকে চিরতরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে??????
উত্তর — একটাই ★★ না ★★—-
জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোক্তাদের খাঁটি এবং নির্ভেজাল পণ্যের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্যই আমরা বাজারে নিয়ে এসেছি♦♦ আস্থা মধু♦♦
সরাসরি সুন্দরবন থেকে বিশ্বস্ত মৌয়ালদের দ্বারা সংগৃহীত মধু-
যা গুণে এবং মানে অতুলনীয়।।
খলিশা ও গরানের, প্রতি কেজি ১৪০০ টাকা।
ঢাকার ভিতরে ১ কেজির উপর অর্ডার করলে ডেলিভারী চার্জ ফ্রি।
ঢাকার বাইরে কুরিয়ার চার্জ ১৩০/=।
যোগাযোগ +8801965052557, +01682565546



